নিজস্ব প্রতিবেদক :
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় পৈতৃক বসতভিটা দখলের অপচেষ্টা, সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি ভুক্তভোগী মোছাঃ রেখা বেগম বাদী হয়ে সুনামগঞ্জে জগন্নাথপুরের আমলগ্রহণকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা দায়ের করেন।
অভিযুক্তরা হলেন বাদীনির আপন চাচা জগন্নাথপুর পৌরসভাধীন ইসহাকপুর গ্রামের মোঃ জিলু মিয়া ওরফে তরমুজ আলী, একই গ্রামের মোঃ গুলবাহার, মোঃ বেলাল, মোঃ ইকবাল এবং সমদল গ্রামের রবিউল মিয়া ওরফে সুপার।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইসহাকপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল কদ্দুসের কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় তিনি নিজ বাড়িতেই কন্যা মোছাঃ রেখা বেগমকে বিবাহ দিয়ে বসতি স্থাপন করান। ২০২১ সালে আব্দুল কদ্দুস মারা যাওয়ার পর পরিবারে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা জমি দখলের চক্রান্ত শুরু করে।জ
অভিযোগ করা হয়, জিলু মিয়া পুরো ভূমির মালিকানা দাবি করে চলতি বছরের ১০ মে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে গত ২৫ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাদীনির বসতভিটার সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর শুরু করে। বাদিনী বাধা দিলে জিলু মিয়া তাকে ধারালো দা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে কোপ মারেন। এ সময় বাদিনী দৌড়ে ঘরে ঢুকে আত্মরক্ষা করেন এবং যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা বাদিনী ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি প্রদান করে।
ঘটনার বিষয়ে মামলার বাদী মোছাঃ রেখা বেগম জানান, তার পিতা মারা যাওয়ার পর পরিবারে কোনো পুরুষ মানুষ না থাকার সুযোগে তার চাচা ও তার সহযোগীরা তাদের জমি দখল করতে চাইছে এবং কেয়ারটেকার বেলাল মিয়া তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। ফলে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করছেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে অভিযুক্ত জিলু মিয়া ওরফে তরমুজ আলীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি দায়েরের পর আদালত বিষয়টি পর্যালোচনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় বাদী বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন।
কার্যালয়ঃ ডাকবাংলো রোড, জগন্নাথপুর আ/এ, জগন্নাথপুর পৌরসভা, জগন্নাথপুর সুনামগঞ্জ।
যোগাযোগ : (মোবাইল ও হোয়াটস্অ্যাপ) 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟏𝟏𝟎𝟒𝟒𝟒𝟖, 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟔𝟎𝟐𝟑𝟏𝟒𝟎, 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟖𝟎𝟎𝟔𝟔𝟕
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত