1. info@jagannathpurview.online : জগন্নাথপুর ভিউ : জগন্নাথপুর ভিউ
  2. info@www.jagannathpurview.online : জগন্নাথপুর ভিউ :
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
জরুরী সাংবাদিক নিয়োগ চলছে আপনার কাছে একটি দুর্দান্ত সুযোগ! "জগন্নাথপুর ভিউ" সংবাদপত্রে জরুরী ভিত্তিতে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।
শিরোনাম :
জগন্নাথপুরে বাগময়না গ্রামে বিট পুলিশিং সভা: অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনের আহ্বান জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের ৪৩ বছরে পদার্পণ ও ঈদ পুনর্মিলনী সভা অনুষ্ঠিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদৎ বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জগন্নাথপুর- শান্তিগঞ্জবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন অ্যাডভোকেট ইয়াসীন খান জগন্নাথপুর পৌরবাসীকে সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী এম এ কাদিরের ঈদের শুভেচ্ছা এম এ মালেক খানের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ নাজির আহমদের ঈদ শুভেচ্ছা জগন্নাথপুরে নিজ ঘর থেকে ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক আকমল খানের পক্ষ থেকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জগন্নাথপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

মুনতাহার হাতে থাকা আপেলটি খেতে দেয়নি ঘাতকেরা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর ভিউ ডেস্কঃ

ছয় বছরের শিশু মুনতাহা আক্তার জেরিন। তাকে নির্মমভাবেহত্যা করেছেন তারই সাবেক গৃহশিক্ষিকা শামীমা বেগম মার্জিয়া (২৫)। মুনতাহার মরদেহ উদ্ধারের পর ঘাতক মার্জিয়ার ঘর মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। ঘরের জিনিসপত্র এদিক-ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। তবে সবার নজর তাদের ঘরের পাশে মরদেহ গুমের পার্শ্ববর্তী স্থানে পড়ে থাকা একটি আপেলকে কেন্দ্র করে। পুকুরের পাড়ে পড়ে থাকা আপেলের দিকে তাকিয়ে অনেকে আফসোস করছিলেন আর মুনতাহাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করছিলেন।

সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার বীরদল ভাড়ারীফৌদ গ্রামে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। গত ৩ নভেম্বর নির্মমভাবে খুন করা হয় শিশু মুনতাহাকে। সে কানাইঘাট থানার বীরদল ভাড়ারীফৌদ গ্রামের শামীম আহমদের মেয়ে। মুনতাহাকে হত্যার পর প্রায় ১ সপ্তাহ মরদেহ গুম করে রেখেছিল ঘাতকরা। এরপর রোববার (১০ নভেম্বর) ভোররাতে মুনতাহার বাড়ি থেকে মাত্র ১০ গজের মধ্যে পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার হলে তোলপাড় শুরু হয় দেশজুড়ে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, নিখোঁজ হওয়ার আগে বাবা শামীম আহমদের সঙ্গে শেষবারের মতো গ্রামের একটি ওয়াজ মাহফিলে গিয়েছিল শিশু মুনতাহা। জোহরের ওয়াক্ত হওয়ায় মেয়েকে নিয়ে বাসায় ফিরে আসেন শামীম আহমদ। বাসায় মেয়েকে রেখে তিনি চলে যান মসজিদে। পরে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দুটি সবুজ রঙয়ের আপেল হাতে নিয়ে বের হয়েছিল মুনতাহা। এরপর থেকেই আর তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষমেষ মরদেহ উদ্ধারের পর ঘাতক মার্জিয়ার ঘর ভাঙচুর ও পুড়িয়ে দেন স্থানীয়রা।

মুনতাহার কথা বলতে গিয়ে প্রতিবেশী আব্দুল ওয়াহিদ বলেন, মুনতাহার স্মৃতি আমার চোখ থেকে সরছে না। সে প্রতিদিনই আমার বাসায় আসতো। আমার নাতি ছিলো তার খেলার সাথী। সে অনেক মিষ্টি কথা বলতো। অনেক মায়াবী একজন মানুষকে এভাবে কেউ মেরে ফেলবে এইটা আমি কল্পনা করতে পারিনি। মেয়েটা দুইটা আপেল খাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়েছিল। একটি আপেলে কিছুটা অংশ খেয়েছিল। আরেকটা আপেল আস্ত ছিল। দুইটি আপেলই ঘাতকদের ঘরে ছিল। এই ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে আমার বাড়ির পুকুরে মরদেহ ফেলার পাঁয়তারা করেছিল ঘাতকরা। আল্লাহর মেহেরবানিতে খুনি মরদেহসহ গ্রামবাসীর হাতে ধরা পড়ে। আমি এই ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি চাই।

মুনতাহার বাবা শামীম আহমদ বলেন, আমি এক হতভাগ্য বাবা। আমার মেয়েকে এভাবে মেরে ফেলবে এইটা আমার চিন্তায় আসেনি। যে মেয়েটি মুনতাহাকে খুন করেছে সে মুনতাহাকে কয়েকমাস পড়িয়েছিল। সে যে এই রকম করবে এইটা জানতাম না। আমার মেয়েটা আপেল নিয়ে ঘর থেকে বের হয়েছিল। সেইটাও আমার মেয়ে খেতে পারেনি।

মুনতাহার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আমার মেয়েটা অনেক আদরের ছিল। সে মোবাইলে ইউটিউব, হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করতো। আমার বিদেশে থাকা ছেলেদের ভয়েস মেসেজ পাঠাতো, কল দিত। প্রায়ই সে আমার কাছে আবদার করে বলতো বাবা আমাকে ৫ টাকা দাও, নাহলে মোবাইল দাও। আজ আমার মেয়েটা আর দুনিয়াতে নাই।

আমি আমার মেয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার দেশবাসীর কাছে দিলাম। তারা যেটি ভাললো মনে করবেন আমি সেটির ওপর বিশ্বাস রাখব। তারা যে বিচার চাইবেন সেটি আমারও চাওয়া থাকবে। আমার মেয়েকে আমি জন্ম দিয়েছি ঠিক, কিন্তু যেভাবে সারাদেশের মানুষ আমার মেয়ের জন্য কেঁদেছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সূত্র- ঢাকা পোস্ট

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© জগন্নাথপুর ভিউ
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট