1. info@jagannathpurview.online : জগন্নাথপুর ভিউ : জগন্নাথপুর ভিউ
  2. info@www.jagannathpurview.online : জগন্নাথপুর ভিউ :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
জরুরী সাংবাদিক নিয়োগ চলছে আপনার কাছে একটি দুর্দান্ত সুযোগ! "জগন্নাথপুর ভিউ" সংবাদপত্রে জরুরী ভিত্তিতে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।
শিরোনাম :
জগন্নাথপুরে দুই হাওরে অভিযান: বিপুল পরিমাণ কারেন্টের জাল ও পটছাই ধ্বংস জগন্নাথপুর ইসলামী ব্যাংকে টাকা উধাওয়ের খবরটি নিছক গুঞ্জন: যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে গ্রাহককে টাকা ফেরত দিল কর্তৃপক্ষ রানীগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থার নবগঠিত কমিটির শপথ ও দায়িত্ব গ্রহণ সম্পন্ন জগন্নাথপুরে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ৩০ Mosbet yükle onlayn kazino oynamaq – etibarlı oyun platforması Mostbet Aviator oyunu onlayn kazino oynamaq üçün ən yaxşı platformadır কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আমিনুর রহমান জিলু, জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা 1Win onlayn kazino oynamaq – Rəsmi saytda qeydiyyat və uduşlar সংবাদকর্মী দের জন্য একটি নীতিমালা সময়ের দাবী Zoccer Casino Promo Code: Online-Casino spielen mit Bonus für deutsche Spieler

জগন্নাথপুরে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট: গো-খাদ্যের অজুহাতে দাম চড়া

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

আমিনুল হক সিপন :

পবিত্র ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা ও পৌর এলাকার পশুর হাটগুলো জমে উঠতে শুরু করেছে।

রোববার জগন্নাথপুর পৌর শহরের অস্থায়ী গরুর হাটে প্রচুর গবাদি পশু দেখা গেছে। হাটে ক্রেতাদের ভিড় ও উপস্থিতি সন্তোষজনক হলেও দামের টানাপোড়েনে প্রথম দিকে বেচাকেনা বেশ কম হচ্ছে বলে জানা গেছে। ক্রেতারা বলছেন সাধারণ মধ্যবিত্তের বাজেটের বাইরে চলে যাচ্ছে কোরবানির পশু, অন্যদিকে বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে গো-খাদ্যের দাম অতিরিক্ত বাড়ার কারণেই পশুর দামও তুলনামূলকভাবে বেশি হচ্ছে।

রোববারের হাটে  উপজেলার ইছগাঁও থেকে আসা বিক্রেতা আনা মিয়া  ভারি বৃষ্টিপাত উপেক্ষা করে দুপুর ১২টার দিকে নিজের খামারে লালন-পালন করা ৪টি গরু নিয়ে আসেন। কিন্তু বিকেল ৪টা পর্যন্ত চড়া দামের কারণে একটি গরুও তিনি বিক্রি করতে পারেননি। আনা মিয়াসহ কয়েকজন বিক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, এখন খৈল, ভূষি ও খড়ের যে দাম, তাতে একটা গরু লালন-পালন করতে আগের চেয়ে অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হয়। গো-খাদ্যের দাম যেভাবে বেড়েছে, তাতে কম দামে গরু বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হবে। একই রকম অভিজ্ঞতার কথা জানান উপজেলার  রমাপতিপুর গ্রাম থেকে দুটি গৃহপালিত গরু নিয়ে আসা তামিম হোসেন ও দেশি জাতের দুটি গরু নিয়ে আসা আকমল হোসেন। দিনভর ক্রেতারা দরদাম করলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় বিকেল পর্যন্ত তাদের গরু বিক্রি হয়নি। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকারদের অবস্থাও প্রায় একই। কিশোরগঞ্জ থেকে ১০টি গরু নিয়ে হাটে আসা পাইকার রনি মিয়া সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করে শেষমেশ বিকেলবেলা ১ লাখ ১৭ হাজার টাকায় মাত্র একটি দেশি গরু বিক্রি করতে সক্ষম হন। তবে হাটে কিছু বড় জাতের গরুর দিকে ক্রেতাদের বেশ নজর কাড়তে দেখা গেছে। উপজেলার আছিমপুরের বিক্রেতা কাচা মিয়া হাটে ৮ মণ মাংসের একটি শাহিয়াল জাতের গরু নিয়ে এসে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন। বিকেল নাগাদ গরুটির দাম ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা উঠলেও আড়াই লাখ টাকা ছাড়া তিনি সেটি ছাড়বেন না বলে জানান।

অন্যদিকে হাটে আসা ক্রেতাদের চোখে-মুখে বিরাজ করে চড়া দামের হতাশা। পৌর এলাকার পশ্চিম ভবানীপুর গ্রাম থেকে আসা ক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম জানান, পুরো হাট ঘুরে তার মনে হয়েছে গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম অনেক চড়া।উপজেলার কুবাজপুর গ্রাম থেকে মোট ৬টি গরু কোরবানির উদ্দেশ্যে কিনতে বের হওয়া আবুল কাদির জানান, গ্রাম থেকে ২টি সংগ্রহ করলেও বাকি ৬টি গরু কিনতে তিনি জগন্নাথপুরের হাটে আসেন। তবে অতিরিক্ত দামের কারণে শেষ পর্যন্ত তিনি কোনো গরু কিনতে পারেননি। একই ক্ষোভ প্রকাশ করেন জগন্নাথপুর পৌর এলাকার ইকড়ছই গ্রামের বাসিন্দা আলী হোসেন। তিনি জানান, ২ লাখ টাকার বাজেট নিয়ে হাটে এসেও সেই অনুযায়ী কোনো উপযুক্ত গরু মেলাতে পারছেন না।

জগন্নাথপুরে এবারের হাটে সুনামগঞ্জের স্থানীয় পশু ছাড়াও কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা দলে দলে গরু নিয়ে আসছেন। বাজারে সব ধরনের গরুর মধ্যে দেশি গরুর আধিক্য যেমন রয়েছে, তেমনি গৃহপালিত ও খামারিদের যত্নে বড় হওয়া পশুর সংখ্যাও এবার বেশ লক্ষণীয়।

জানতে চাইলে হাট ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক বেচাকেনা নিয়ে জগন্নাথপুর বাজার ইজারাদার বশির উদ্দিনের পক্ষে হাটে দায়িত্ব পালনকারী জাহির উদ্দিন বলেন, বাজারে পশুর সরবরাহ ভালো। বেচাকেনা মোটামুটি ভালোই হচ্ছে। তআগামী বাজারগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম ও বেচাকেনা আরও জমবে বলে আশা করছি।

জগন্নাথপুর পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পৌর এলাকায় সাধারণত জগন্নাথপুর বাজার, কেশবপুর বাজার এবং ভবেরবাজার- এই ৩টি স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট বসে। এর বাইরে উপজেলায় রসুলগঞ্জ বাজার ও রানীগঞ্জ বাজার নামে ২টি স্থায়ী পশুর হাট রয়েছে। এছাড়া ২০২৬ সালের পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মোট ১০টি অস্থায়ী গবাদি পশুর হাটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সৈয়দপুর শাহাড়াপাড়া ইউনিয়নে সৈয়দপুর বাজার, আশারকান্দি ইউনিয়নে নয়াবন্দর ও বড়ফেচী বাজার, পাইলগাঁও ইউনিয়নে পল্লীগঞ্জ বাজার (অলইতলী) ও ইনাতগঞ্জ বাজার, কলকলিয়া ইউনিয়নে গোবিন্দ বাজার ও মজিদপুর বাজার এবং মীরপুর ইউনিয়নে কেউন বাড়ি বাজার, মিরপুর বাজার ও লামা টুকের বাজার অন্যতম।

তবে হাটের আইনি প্রক্রিয়া ও নিয়মকানুন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে কিছু ক্ষোভ ও অভিযোগ দানা বেঁধেছে। সচেতন মহলের অভিযোগ, যেখানে উপজেলার অস্থায়ী পশুর হাটগুলোর দরপত্র আহ্বান ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সময়সীমা  রোববার (২৪ মে) পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল, সেখানে কিছু কিছু বাজারে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই এর আগেই অবৈধভাবে পশুর হাট বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নিয়ম লঙ্ঘনের এই অভিযোগ এবং হাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জগন্নাথপুর পৌরসভার প্রশাসক মোঃ ইসলাম উদ্দিন বলেন, কোরবানির পশুর হাটগুলোতে যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অবৈধ লেনদেন না হয়, সে জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর তদারকি ও নজরদারি চালানো হচ্ছে। নির্ধারিত নিয়মের বাইরে বা অনুমোদিত সময়ের আগে কোথাও অবৈধভাবে পশুর হাট বসানো হলে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সার্বিক টিম মাঠে সতর্ক রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© জগন্নাথপুর ভিউ
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট