1. willpound3800@anonmails.de : broderickhorowit :
  2. BuznRmrAcJTK2l@gmail.com : BuznRmrAcJTK2l :
  3. info@jagannathpurview.online : জগন্নাথপুর ভিউ : জগন্নাথপুর ভিউ
  4. melanietowns7718@anonmails.de : katrice0145 :
  5. sucuriapp@jagannathpurview.online : sucuriapp :
  6. info@www.jagannathpurview.online : জগন্নাথপুর ভিউ :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
জরুরী সাংবাদিক নিয়োগ চলছে আপনার কাছে একটি দুর্দান্ত সুযোগ! "জগন্নাথপুর ভিউ" সংবাদপত্রে জরুরী ভিত্তিতে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।
শিরোনাম :
জগন্নাথপুর বাজারে ‘মা জুয়েলার্সে’ দুর্ধর্ষ চুরি: ৩০ লাখ টাকার মালামাল লুট জগন্নাথপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন জগন্নাথপুরে ‘হোটেল সানলাইট’-এর শুভ উদ্বোধন স্বরূপচন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ফুটবল উৎসব ও বার্ষিক বনভোজন আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জগন্নাথপুরে কেক কাটা ও আলোচনা সভা জগন্নাথপুরে প্রবাসীর ওয়ারিশান সনদ প্রাপ্তিতে চরম ভোগান্তি জগন্নাথপুরে পরোয়ানাভুক্ত ২ আসামী গ্রেফতার জগন্নাথপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে শাহজালাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রথম বর্ষপূর্তি পালিত প্রথম বর্ষপূর্তিতে জগন্নাথপুরের শাহজালাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অক্টোবর মাসজুড়ে টেস্টে ২৫% ছাড়

জগন্নাথপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বরাদ্দ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৯৪ বার পড়া হয়েছে

আমিনুল হক সিপন:

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত কাজের বরাদ্দকৃত অর্থ বিতরণে চরম অনিয়ম ও গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাবুবুল আলমের বিরুদ্ধে। ২৫-২৬ অর্থবছরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে উপজেলার ৯টি স্কুলের জন্য মোট ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও, দুই মাস অতিক্রম করার পরও সেই অর্থ বিতরণ করা হয়নি। ফলে জরুরি সংস্কারকাজ আটকে থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ও নোংরা পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত জুন মাসে ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ের বিপরীতে দেড় লাখ টাকা করে বরাদ্দ অনুমোদিত হয়। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী গত জুলাই মাসের মধ্যেই বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির অ্যাকাউন্টে এই টাকা হস্তান্তরের বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কোনো বৈধ কারণ ছাড়াই ফাইল দুই মাস ধরে আটকে রেখেছেন। নির্ধারিত সময়ে অর্থ ছাড়ে ব্যর্থ হওয়ায় ভেঙে পড়েছে শ্রেণিকক্ষের জানালা, স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং ছাদ চুইয়ে পড়ছে বর্ষার পানি।

টাকা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। কুবাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষক নিপেশ দাস জানান, নিয়ম মেনে ভাউচার জমা দেওয়া সত্ত্বেও বারবার শিক্ষা অফিসে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তাদের।

মীরপুর মহল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল অদুদ প্রকাশ করেছেন আরও মারাত্মক অভিযোগ। তাঁর মতে, পার্সেন্টেজ কেটে রাখার পর দেড় লাখ টাকার মধ্যে কেবল এক লাখ টাকা হাতে পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, অর্থ আত্মসাতের অসৎ উদ্দেশ্যেই শিক্ষা কর্মকর্তা এমন অনাবশ্যক বিলম্ব ও অনিয়মের আশ্রয় নিচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম বলেন, , স্থানীয় সংসদ সদস্য যুক্তরাজ্যে থাকার কারণে এবং তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী অর্থ বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি এমপির প্রতিনিধির মাধ্যমে সময় নির্ধারণ করা হয়েছে এবং দ্রুতই অর্থ বন্টন সম্পন্ন হবে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে বিষয়টিকে এভাবে ঝুলিয়ে রাখার কোনো সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহন লাল দাস। তিনি বলেন, বরাদ্দ করা টাকা আটকে রাখার সরকারি কোনো নিয়ম নেই। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে অনিয়ম ও সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© জগন্নাথপুর ভিউ
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট