
সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ বলেছেন, “দেশে এখন গণতান্ত্রিক ও আইনের সরকার রয়েছে। শহীদ হাফিজুর রহমান হাফিজকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, নতুন করে তদন্তের মাধ্যমে তাদের অবশ্যই বিচার করা হবে। এই হত্যাকাণ্ড থেকে খুনিরা কেউ রেহাই পাবে না।”
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জগন্নাথপুর বাজারের ইকড়ছই মাদ্রাসা পয়েন্টে শহীদ হাফিজের ২৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৯৯৮ সালের ১৫ এপ্রিল পার্বত্য শান্তি চুক্তির প্রতিবাদে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ডাকা হরতাল চলাকালে জগন্নাথপুরে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হন উপজেলা যুবদলের তৎকালীন সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফিজ।
জগন্নাথপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আবুল হাশিম ডালিমের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক জুবেদ আলী লখন ও পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক শামিম আহমেদের যৌথ পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এড. মল্লিক মঈন উদ্দিন সুহেল, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য ও এডিশনাল পিপি এড. জিয়াউর রহিম শাহিন, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রশিদ আমিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ শহীদ হাফিজুর রহমান হাফিজের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, এখন গনতান্ত্রিক ও আইনের সরকার দেশ পরিচালনা করছে তাই নতুন করে তদন্ত করে শহীদ হাফিজ কে যারা নির্মম ভাবে হত্যা করেছে অবশ্যই তাদের বিচার করতে হবে। শহীদ হাফিজের বিচার অবশ্যই হবে। এই নির্মম হত্যাকান্ড থেকে কেউ রেহাই পাবেনা। তিনি আরও বলেন, ১২ ফ্রেরুয়াবী নির্বাচনের আগে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে যে কর্মসুচির কথাগুলি বলেছিলেন ইতোমধ্য অনেকটা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্ভোদন করে মহিলাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। খাল বিল নদী নালা কাটা শুরু করা হয়েছে। কৃষকদের হাতে স্মার্ট কৃষি কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জের সম্মানিত জনসাধারণ আমাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত করে মহান সংসদে পাটিয়েছেন এর জন্যে আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমিও নির্বাচনের আগে জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ কে কিভাবে উন্নয়ন করব অনেক জায়গায় বলেছি আজও বলছি আপনাদের কে সাথে নিয়ে আপনাদের পরামর্শ নিয়ে আমি জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ কে একটি আধুনিক উপজেলার রুপান্তিত করব ইনশাআল্লাহ।
বক্তব্য রাখেন- জগন্নাথপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক জহিরুল ইসলাম লেবু, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রাসেল বক্স, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মোস্তাফিজুর তালুকদার মুহিত, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক জাকির হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য রুকন মিয়া, মোঃ আল আমিন, আব্দুল হক কামালী, কলকলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সেলিম আহমেদ, পাটলী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সুলেমান মিয়া, মিরপুর ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি খসরু মিয়া, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান শাহিন, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সাদিক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মামুন মিয়া, সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জহরুল খান, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মিজান, জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক বিলাল মিয়া, পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক তারেক মিয়া, মিয়া, পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবুল হোসেন রাব্বি, পৌর যুবদলের সদস্য রুকন মিয়া, শাহাব উদ্দিন, রিপন গোপ প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন- জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আবু হুরায়রা সাদ মাষ্টার, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি সদস্য আব্দুল মুকিত, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুজাতুর রেজা, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপি ১ম যুগ্ম-আহবায়ক জামাল উদ্দিন আহমেদ, সালাউদ্দিন মিটু, যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল মতিন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল হোসেন, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা মির্জা নিকসন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদ, যুক্তরাজ্য যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলিফ মিয়া, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুস সোবহান, যুগ্ম-আহবায়ক হাজী সুহেল আহমদ খান টুনু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপি উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ প্রচার সম্পাদক নুরুল আলম, সদস্য মির্জা আবুল কাশেম স্বপন, সানোয়ার হাসান সুনু, লেইছ, কলকলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি আহবায়ক আনিসুর রহমান তুতি, যুগ্ম-আহবায়ক কামরুজ্জামান কমরু, রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক হাজী চান মিয়া, মিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আখলুল করিম, সৈয়দপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক লুৎফুর রহমান কামালী, জগন্নাথপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক সালাউদ্দিন মিটু, যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল মতিন, দিলু মিয়া, শামসুল ইসলাম, তকবুর মিয়া, পৌর বিএনপির সদস্য ফারুক আহমেদ, মঈন উদ্দিন, হাবিল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক হাজী হারুনুর রশীদ, সদস্য সচিব নাসিম আহমেদ রুয়েল, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মামুনুর রশীদ মামুন, সদস্য সচিব শামসুল ইসলাম জাবির সহ জগন্নাথপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী বৃন্দ। সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক সাদেক আহমেদ।
আলোচনা সভা শেষে মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন জগন্নাথপুর সদর মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওঃ আজমল হোসেন জামি। দোয়াতে শহীদ হাফিজুর রহমান হাফিজের বিদেয়ী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে পরিয়াদ জানানো হয়েছে মহান আল্লাহ তায়ালা হাফিজ কে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনা করা হয়। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র সর্বোপরি বাংলাদেশের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার বিভিন্ন আন্দোলনে সংগ্রামে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের মাগফিরাত কামনা করা হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। জাতীয়তাবাদী পরিবার সহ সকলের স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।- বিজ্ঞপ্তি